কি নামে তোমায় বল ডাকি

,
প্রকাশিত : ২৫ মার্চ, ২০২২     আপডেট : ৩ মাস আগে

মোয়াজ আফসার :
কি নামে তোমায় বল ডাকি। কেউ ডাকে হারান দা, কেউ হারান বাবু, কেউ আবার খালি দাদা। আমি নাম ধরে ডাকি, হারান। সেই একাশি সালের পরিচয় ভাঙ্গিয়ে। পুরো নাম হারান কান্তি সেন। রম্য লেখকরুপে পরিচিত হলেও আরো কিছু গুণ তাকে আলাদা করে রেখেছে তার গানের কন্ঠ আর নাক দিয়ে গিটারের সুর তোলার অপূর্ব দক্ষতা। সাহিত্যাঙ্গনের সবাই চেনেন। এখন ডাকতে মন চায় এসওএস। গভীর সমুদ্রে পথ হারানো জাহাজ কিংবা বিপদসংকুল নাবিক জরুরী সাহায্যের জন্যে এসওএস পাঠালে যেমন করে তৎপর হয়ে ওঠে উদ্বারকারী দল তেমনি আমরা যখনি কোন আপদে কিংবা উৎসবে অংশগ্রহণের আহবান জানাই সবার আগে যে হাতটি এগিয়ে আসে সে হাত হারানের। আগপাছ না ভেবে ত্বরিত সিদ্বান্তটা জানিয়ে দেয়। তাতে অনুপ্রাণিত হই আমরা বাকি সবাই। হারান আমাদের সাহসের বড় একটা জায়গা। তাকে কৃতজ্ঞতা কিভাবে জানাব এর একটা সুযোগ খুঁজতে খুঁজতে মনে হল লেখা দিয়েই জানান দেয়াটা সবচে’ উত্তম একটা পথ। অভিনন্দন
হারান বাবু, তোমার কাছে কৃতজ্ঞ।
এগারো ডিসেম্বর শনিবার হয়ে গেলো সাইক্লোনের বনবিহার। বনের ভেতর হৈ হল্লা ছুটাছুটি আর ভুড়ি পুরে ভোজন। ইট সুরকীর দালানে গ্লাসটপ ডাইনিং টেবিলে বসে ডিনার সেটের প্লেটে খাবার খেতে খেতে মন যেন আমাদের এক টুকরো কাঠ হয়ে ওঠে। কার ওয়াসের মতো হৃদয়কে সতেজ করতে প্রকৃতির কাছে আমরা হাজির হই, ভীক্ষার ঝুলি বাড়িয়ে দিই নির্মল আনন্দের প্রত্যাশায়। প্রকৃতি আমাদের নিরাশ করেনা কখনো। কিন্তু অকৃপণ হাতে যে এতো দেয় সুযোগ পেলেই তাদের আমরা বিনাশের উৎসবে মেতে উঠি। আমরা ভুলে যাই স্রষ্টার সৃষ্টিতে আমাদের যেমন হক প্রত্যেক প্রাণেরও আছে তাই। হারান আমরিকা থেকেই জানিয়েছিলো এরকম একটা অনুষ্ঠান আয়োজনের। দেশে ফিরে ওইদিনই সাইক্লোনের সাহিত্য সভায় এসে উপস্থিত। এখানেই দিনক্ষণ ঠিক হয়ে যায়। খাবারের ব্যয়ভারটা তার ওয়ালেট থেকেই বেরিয়ে আসে। বিষয়টাকে আমরা সাংগঠনিকভাবে নিই। সাইক্লোনের ব্যানারে আয়োজন করি ‘দেখা যদি হলো, সখা, প্রাণের মাঝে আয়।’ সবার জন্য একটা এন্ট্রি ফিও রাখি। ব্যস হয়ে গেলো। আমরা ঝাঁপিয়ে পড়ি অনুষ্ঠান কিভাবে প্রাণবন্ত করা যায়। সাহিত্যিক সাহিত্যামোদিদের আমন্ত্রণ জানানো হয়। সাড়া পাওয়া যায় অভূতপূর্ব। কাছাকাছি কোথাও বনজ পরিবেশ খুঁজতে যেয়ে শহরের পাশে পাওয়া গেলো টিলাগড় ইকোপার্ক। ফটো সাংবাদিক আব্দুল বাতিন ফয়সলকে নিয়ে অনুষ্ঠানস্থল ঘুরে এলাম দু’দিন আগে। টিলাগড়ের মূল সড়ক থেকে ইকোপার্কের যে রাস্তা, একটু এগোলেই বাম পাশে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সামনে ডানে সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ। এর পরেই বন বিভাগের এরিয়া। ওখানেই গড়ে উঠেছে ইকোপার্ক। পার্কের ভেতরে রয়েছে একটি বন্য প্রানী সংরক্ষণ কেন্দ্র। এ জায়গাটি খুবই স্পর্শকাতর। জোরে শব্দ হৈ হুল্লোড় এড়িয়ে চলতে হয়। বিলুপ্তপ্রায় কোন বন্য প্রানী লোকালয়ে চলে এলে এখানে এনে অবমুক্ত করা হয়। অজগর সাপের বিচরনটাই এখানে বেশি। গেটে ঢুকতেই নজরে পড়ে রাস্তার ডান পাশ দিয়ে এঁকেবেঁকে শুয়ে আছে একটা ছোট্ট পাহাড়ি ছড়া। ছড়াটি এখন একেবারেই ম্রিয়মাণ। থির থির করে পানি ঝরে। বর্ষায় সে আবার তার যৌবন ফিরে পায়। পাহাড়ি ঢল আর বৃষ্টির পানিতে উপচে উঠে। তখোন ছড়ার স্বচ্ছ পানি শাল আর গর্জনের নীচ দিয়ে বেতের ঝোপঝাড় ছুঁয়ে সদ্য যৌবনা কিশোরী বালিকার মতো দাপিয়ে বেড়ায়। ইকোপার্কের এই বনটি উঁচু উঁচু খাড়া শাল আর গর্জন গাছে ভরপুর। প্রচুর বেতও জন্মে এখানে। মাথা উঁচু করে দাঁড়ানো গাছের ভীড়ে কিছু কিছু জায়গা উপর দিকে মুখ তুললে আকাশ দেখা যায় না। বনের মাঝখান ভেদ করে শুয়ে আছে এক চিলতে পিচডালা পথ। সে পথের ওপর গাছের বুড়ো পাতাগুলো ঝরে পড়ে যেন সেজে আছে আগতদের স্বাগত জানানোর প্রতিক্ষায়। হাটতে গিয়ে মচমচ শব্দে ভাঙ্গে পাতা ‘শুকনো পাতার নূপুর পায়ে নাচিছে ঘূর্ণি বায়, জলতরঙ্গে ঝিলমিল ঝিলমিল ঢেউ তুলে সে যায়।’ পাতাগুলো মাড়িয়ে আমাদের সাথী সুন্দরী রমণীরা যখন হাটেন কানে ঝনঝনিয়ে ওঠে যেন নূপুরের নিক্বণ। খাবার সরবরাহের দায়িত্বটা ফাহমিদা চৌধুরী শিপুর ‘আপন ঘর’কে দেয়া হয়। ‘আপন ঘর’ একটি ফুডকার্ট। কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে খাবার বিক্রি করে। ক্যাম্পাসের বাইরে কখনো কোথাও যায়নি। আমাদের বনবিহার নিয়ে আমার ভেতর বেশ একটা উন্মাদনা কাজ করছিলো। সাইক্লোনের প্রথম বনবিহার। মনে মনে ভাবছিলাম অনুষ্ঠান স্থলে গাড়িটা নিয়ে গেলে কেমন হয়। ভাবনাটা আমার স্ত্রী শিপুর কানে দিতেই ও একেবারে লাফ দিয়ে উঠে। শিপু বরাবরই সাইক্লোনের সব কাজে প্রচন্ড আগ্রহ দেখায়। আমাদের মতোই সাইক্লোন ওর ভালবাসার একটা জায়গা। চরম উত্তেজনা আর ভালবাসার মিশেল ঢেলে ‘আপন ঘর’ খাবার তৈরি করে তার সাজানো গোছানো গাড়িতে করে নিয়ে হাজির হয় দুপুরে। খাবার ভ্যানটি দাঁড় করানো হয় পার্কের বসার শেডের বামদিকে। পেছনে গাছগাছালিতে ভরপুর উঁচু টিলা। দলের বন্ধুরা বন বাঁদাড় ঘুরে ঘুরে দেখেন আর গায়ে মাখেন গাছের শাখার দোলে সৃষ্ট সতেজ হাওয়া। দুপুর নাগাদ পরিচিত সব মুখ একে একে এসে হাজির। গুণীজনদের অনেকের নাম এখানে আসেনি। লিখতে গেলে সে অনেক দীর্ঘ। মনেই থাকুক মনের মানুষের নামগুলো। খাবারের সময় হয়ে এলো। এতোক্ষণে অনেকের পেঠে ভুক ধরেছে। খাবার প্রস্তুত। পরিবেশন করেন ‘আপন ঘর’র কর্ণধার ফাহমিদা চৌধুরী নিজেই। সাহায্য করছিলো তার সেইলস গার্ল মিনারা বেগম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে খাবার ব্যবসা চালানো তরুণীটি। ঔপন্যাসিক আলেয়া রহমান কবি সুফিয়া জমির ডেইজি লেখিকা তাসলিমা বীথি আর তাহমিনা খাতুন শিউলি’র সহযোগীতায় খাবার পরবেশনটা সহজ এবং সুন্দর হয়ে উঠে। খাবার প্রথমেই পরিবেশন হয় শিশুদের মধ্যে এরপর রমণীদের একেবারে শেষে পুরুষদের। গাড়ির হান্ডিতে রাখা খাবার সিরামিকের প্লেটে তুলে প্রত্যেককে এক বোতল পানি সহ সারিবদ্ধভাবে বিতরণ করা হয়। শেডের ভেতর এস এস পাইপের তৈরি আসনে বসে সবাই একসাথে আহার ভোজন করেন।খাবার পর্ব শেষ হলে গল্পকার সেলিম আউয়ালের সঞ্চালনায় মূল অনুষ্ঠান হয় শুরু। দুটি গাছের গায়ে বেঁধে ব্যানার টাঙ্গানো হয়। ব্যানারের সবুজ জমিনে লেখা ভেসে উঠে ‘দেখা যদি হলো, সখা, প্রাণের মাঝে আয়।’ সামনে মাটিতে পেতে দেয়া হয় বিরাট সাইজের ধবধবে সাদা এক ত্রিপল। হয়ে উঠে বেশ বড়সড় এক ষ্টেজ। ষ্টেজের বাম পাশে ইকো ফুড গ্যালারী নামের একটি ক্যাফে। বন্ধ এখন। করোনার শুরুতে বন্ধ হয়েছিলো আর খোলেনি। তাই বেড়াতে আসা মানুষজনের খাবারে অনেক সমস্যা হয়। আমাদের খাবারের গাড়িতে অনেকে ছুটে আসে খাবার কিনতে। কিন্তু মন খারাপ করে ফিরে যেতে হয়। দলের বন্ধুরা সবাই পা ভেঙ্গে ষ্টজে সারি বেঁধে বসে পড়েন। সঞ্চালক পরিচিতি পর্বটা বেশ আকর্ষণীয় করে শুরু করেছিলেন কিন্তু এগোয়নি ঠিকমতো। দুপুর হতেই সূর্যের আলো মিইয়ে আসছিলো। তবু সংক্ষিপ্ত পরিচিতিটা একেবারে কম যায়নি। বন্ধুরা সবাই আনন্দে ভাসছিলেন। কারো মনে কোন সংশয় নেই দ্বিধা নেই। প্রকৃতির কাছে পরাজিত হয় মাল্টিস্টোরিড বিল্ডিং পরাজিত হয় গ্লাসটপ ডাইনিং টেবিল আর ডিনারপার্টি। বনের এই অংশে চিল্লাচিল্লি করা মাইক বাজানো নিষেধ। শব্দদোষন খুব শক্তভাবে এখানে মানা হয়। অনেক বলে কয়ে একেবারে হালকা ভলিউমে সাউন্ড স্পীকার ব্যবহার করার অনুমতিটা পাই স্বল্প সময়ের জন্য। হারান মাইক্রোফোন হাতে গায় ‘পুরানো সেই দিনের কথা ভুলবি কিরে হায় ও সেই চোখের দেখা প্রাণের কথা সে কি ভোলা যায়।’ আমি গেয়ে উঠি ‘মোর প্রিয়া হবে এসো রাণী দেব খোঁপায় তারার ফুল।’ অনেকেই জীবনে প্রথম মাইক্রোফোনে গান গেতে উৎসাহী হয়ে ওঠেন। ক্ষণীকের জন্যে ভুলে যান বয়স আর নিজের অবস্থান। চলে কবিতা আবৃত্তি গান। বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিজিএম কবি আমিনুল ইসলাম আমাকে তার সাথে টেনে নিয়ে এসে মাইক্রোফোনে সুর তুলেন ‘এই মেঘলা দিনে একলা ঘরে কাটে না তো মন কাছে আসবে ভালবাসবে তোমার নিমন্ত্রণ।’ আমিও তার সাথে সুর মিলাই। আমিনুল ইসলাম অনুষ্ঠানে এসেছিলেন একা। এসে হয়তো তার ভীষণ ভাল লেগেছিলো। পরে মেয়েকে ফোন করে সিএনজি অটোরিকশায় করে আনিয়েছেন অনুষ্ঠানটি দেখার জন্যে। খাওয়া দাওয়া শেষ হলে আসে চা আর পান সুপারির বাটা। তাতে অনুষ্ঠান রঙ বদলায় পান খাইয়া ঠোঁট লাল করিলামের মতো। সালেহ আহমদ খসরু তার নিজের লেখা কবিতা দরাজ কন্ঠে শুনান ‘ওগো বন্ধু হয়তো তোমাদের সাথে বজ্রকন্ঠ মিলিয়ে কথা হবে না।’ গান গাইলেন কবি নাইমা চৌধুরী। ঔপন্যাসিক আলেয়া রহমান কবি ইসমত হানিফা চৌধুরী সুফিয়া জমির ডেইজিও লোভ সামলাতে পারলেন না। মাইক্রোফোনটা কেড়ে নিলেন নিজেদের কাছে। তাপাদার জান্নাতুল জাহরা কবি ইশরাক জাহান জেলীর মেয়ে। ছোট্ট মিষ্টি এই মেয়েটি মিষ্টি সুরে গাইলো ‘বাবা মানে হাজার বিকেল আমার ছেলেবেলা।’ তার স্বচ্ছন্দ পরিবেশনা মুগ্ধ করেছে সবাইকে। সংগঠক জাবেদ আহমেদের মেয়ে ডাঃ চৌধুরী সায়িমা হুমায়রা আহমদ আর সালেহ আহমদ খসরুর মেয়ে তাসনিয়া আহমদ লিলি দ্বৈত কন্ঠে গাইলো ‘লোকে বলে বলেরে ঘর বাড়ি বালা নায় আমার।’ শিশু কিশোররা বনোয়া এ পরিবেশে দুরন্তপনায় মেতে ওঠে। ওদের অনেকেরই এর আগে বড় বড় চিড়িয়াখানা ঘুরে দেখার সুযোগ হয়েছে। সিলেটে যে এরকম একটা জায়গা আছে তারা ভাবতেই পারেনি। খুব কম পরিমানে হলেও জেব্রা হরিন অজগর ময়ূর বিভিন্ন ধরনের পাখি দেখে ওরা খুব আপ্লুত। কেউ কেউ ঘাসের কচি পাতা ছিড়ে হরিনের মুখে তুলে দিচ্ছিলো আর ক্লিক ক্লিক করে তোলা ছবি সেলফোন স্ক্রিনে ভেসে উঠছিলো। কি যে আনন্দ! আহা কি আনন্দ আকাশে বাতাসে। সব মিলিয়ে এ এক অভূতপূর্ব মিলনমেলা। এ মেলা বেশিদূর স্থায়ী হলো না। ডিসেম্বর মাসের দিন। চট জলদি ঘুমিয়ে পড়লো আঁধারের কোলে। তবু মনের বাক্সে যে দাগ এঁকে দিলো বিস্তৃত থাকবে যোজন যোজন দিন। এই দিন দিন নয় আরো দিন আছে, এই দিনেরে নিয়ে যাবে সেই দিনের কাছে।
বনবিহারে আমরা যারা মেতে উঠেছিলামঃ
সেলিম আউয়াল, সুফিয়া জমির ডেইজি, হারান কান্তি সেন, মোঃ আমিনুল ইসলাম, পরেশ চন্দ্র দেবনাথ, আলেয়া রহমান, জাবেদ আহমদ, ইফতেখার শামীম, কামাল আহমদ, তাসলিমা খানম বীথি, শামীমা আক্তার ঝিনু, সেনুয়ারা আক্তার চিনু,ইশরাক জাহান জেলী, শাকেরা মাহজাবিন, সাদিয়া জাহান ঝুমু, আব্দুর রহমান আববাসী, শাহিদা জান্নাহ আববাসী, খালেদা মরিয়ম আনসারী, তাহমিনা খাতুন, ডলি সিকদার, আফিয়া সুলতানা, জান্নাতুন ফেরদৌস, ফাহমিদা নাজনীন, সালেহ আহমদ খসরু, ইছমত হানিফা চৌধুরী, মোয়াজ আফসার, ধ্রুব গৌতম, মাসুদা সিদ্দিকা রুহি, রাহনামা শাব্বীর চৌধুরী, লিপি খান, নামিরা সাদেক পিয়া, আব্দুস সাদেক লিপন, আব্দুল বাতিন ফয়সল, সামিরা সাদেক লিয়া, সাহিরা ছাবির দিয়া, জায়েদা বেগম রিপা, আব্দুল মুহিত দিদার, ওয়াসিফুর রহমান আববাসী, তাসনিয়া আহমদ লিলি, আরমান আহমদ আফ্রিদি,শেখ মালিহা মরিয়ম, খন্দকার হাবিবুর রাজা রাফি, মোহাম্মদ আলী আকতার, আলাল আহমদ, চৌধুরী নায়িমা বুশরা আহমেদ, চৌধুরী সায়িমা হুমায়রা আহমদ, নূরজাহান পারভীন চৌধুরী, চৌধুরী হাসিন ইয়াসান আহমদ, রোমানা আহমদ, শেখ দায়ীম তৌসিফ, শেখ আহনাফ নাফি, নাঈমা চৌধুরী, ফাহমিদা চৌধুরী, সিরাজুল ইসলাম।


আরও পড়ুন

সিলেট জেলা ছাত্রলীগের সম্প্রীতি সমাবেশ ও শান্তি শোভাযাত্রা

         বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ...

সিলেট সরকারি কলেজ তালামীযের কাউন্সিল সম্পন্ন

         বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়া সিলেট...

সম্প্রীতির হাউজিং এষ্টেট

         মুর্শেদ আহমদ চৌধুরী: সিলেট শহরের...

‘বিশ্বের অনেক ধনী ও প্রভাবশালী দেশ করোনা সামলাতে ব্যর্থ’

         বেসামরিক বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী...