সত্য-উদ্যমী এক নাট্য নির্মাতা ও সিলেটের দক্ষ সংগঠক: দূর্জয়

,
প্রকাশিত : ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১     আপডেট : ১০ মাস আগে

লেখক লায়েক আহমদ মাসুম :

প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যে ভরপুর, দুটি পাতা একটি কুঁড়ির দেশ, বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ নগরীর প্রাণকেন্দ্র হযরত শাহজালাল ও হযরত শাহপরান (রহ:) সহ তিনশত ষাট আউলিয়ার পদচূমে ধন্য এ সিলেটের মাটি। এই শহরে জন্ম নিয়েছেন কত ক্ষঁণজন্মা কৃত্তিমান ব্যক্তি। কবি-সাহিত্যিক, কলামিষ্ট-সাংবাদিক, দার্শনিক-গবেষক, ছড়াকার-গল্পকার, উপন্যাসিক-প্রাবন্ধিক, গীতিকার-নাট্যকার, বুদ্ধিজীবি-আইনজীবি, বাউল-ফকির ও মরমীসহ অনেক জ্ঞানীগুণী সূফী সাধক।
কৃতকর্মের স্মৃতি রেখে অনেকই চলে গেছেন পরপারে। কিন্তু ইতিহাস তাদেরকে অমর করে রেখেছে। চিরদিন অমর থাকবে এটাই চিরন্তন সত্য।
মানুষ তার কর্মগুণে স্মৃতিময় আর উজ্জলতার স্বর্ণ শিখরে আহরণ করে। কর্মী মানুষ সবাই হয় না, কেবল তারাই হয় যারা সমাজ সচেতন। এ ধরনের লোকেরা সমাজের, দেশের, জাতির অমূল্য সম্পদ। সেই গুণে-গুণান্বিত তারুণ্যের অহংকার, শাহজালালের পূণ্য ভূমির সদর নগরীর হাউজিং এষ্টেট ১১১বাসাস্থ ১ জানুয়ারী ১৯৯১ইং সালে তার জন্ম হয়, বর্তমান ঠিকানা উদয়ন ২৬ আলী ভিলা, ইলিয়াসকান্দি সিলেট। ধ্রবতারা সাহিত্য পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সিলেট মিডিয়া ক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক, মো: বাবুল ও মোছা: আফিয়া খাতুনের সুযোগ্য সন্তান, সত্য-উদ্যমী নাট্য নির্মাতা ও মানবতার ফেরিওয়ালা কামাল আহমদ দূর্জয়। আমার শত ব্যস্থতার মাঝে ও আরেকটি কাজ হচ্ছে নবীন-প্রবীন, জ্ঞানী-গুণীকে যথাযত মূল্যায়ন করা। প্রবাদে আছে, যে গুণীজনকে সম্মান করেনা-সে কখন ও সম্মানী হতে পারে না? কামাল আহমেদ দূর্জয় সে স্বল্প শিক্ষিত ও মধ্যবিত্ত ঘরের সন্তান হলেও সে দেশে, সমাজে এবং সাংস্কৃতিক অঙ্গণে সুপরিচিত। তিনি সিলেটের যোগ্য, দক্ষ একজন নাট্যঅভিনেতা হিসেবে সবার কাছে জানাচেনা। সে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথে সক্রীয় ভাবে কাজ করে যাচ্ছে এবং তাকে এই সামাজিক সংগঠন গুলো থেকে সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। এ সব সামাজিক সংগঠনে তার ভূমিকা ও উল্লেখ যোগ্য। তার ৫ ভাই ও ১ বোন সহ অনেক আত্মীয় স্বজন রয়েছে। দূর্জয় ২০০৪ সাল থেকে তার নিজ উদ্যোগে নাট্য চর্চা শুরু করে দেশের বিভিন্ন বেসরকারী মিডিয়া টি.ভি চ্যানেলে নাটক ইত্যাদি চর্চা করে- প্রকাশ করেছে। ২০১৩ সালে নাট্যঅভিনেতা দূর্জয়ের নিজ উদ্যোগে দেশ থিয়েটার, সিলেট নাট্য সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক হিসেবে পরিচালনা করে যাচ্ছেন অত্যান্ত নিরলস ভাবে।
২০১৩ সালে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা থেকে সার্টিফিকেট ও সম্মাননা স্মারক পান। ২০১৪ সালে মীম.ইউ.এস কানাডা ভিত্তিক টি.ভি চ্যানেল ২০১২ সালে প্রথম পুরস্কার ব্র্যাস্ট এনজিও, এশিয়া ছিন্নমূল মানবাধিকারের কার্যনির্বাহী সদস্য, ২০১৯ সালে জাতীয় শিশু একাডেমী ঢাকা থেকে শেরেবাংলা পদক লাভ করেন।
প্রথম মঞ্চে ২০০৪ সালে অর্নিবান নাট্যদলের চোর” নাটক হাবলা চরিত্র অভিনয় করে সবার মন জয় করেন। (১) ভূমিকম্প জনসচেতনতামূলক নাটক (২) “মুক্তি অ¤øান ৭১” (৩) “ফাগুনে কথা বলে” (৪) “রক্তাক্ত ৭১” (৫) “ইতিহাস কথা বলে” (৬) “বিবেক” (৭) “করিমের সংসার” এ ছাড়াও বিভিন্ন বেসরকারী টি.ভি চ্যানেলে নিরলস ভাবে কাজ করেছেন তিনি।
কামাল আহমদ দূর্জয়ের রচনা ও পরিচালনায় প্রথম নাটক “গরম খবর” (২) “মামার চেয়ে মামী বড়” (৩) বাংলাদেশ টেলিভিশনের প্রথম নাটক “অপেক্ষা” (৪) “অপেক্ষার শেষ” (৫) “কমিটি এ্যায়াড” (৬) “জগা-মগার বাটপারী” (৭) “প্রেম রোগে নষ্ট” (৮) “চ্যানেল আই ক্রাইম ষ্টোরী প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেন রাজন হত্যা” (৯) “পুরুষ নির্যাতন” (১০) স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র বৃদ্ধাশ্রম” (১১) বুদ্ধিমান চোর” (১২) বটগাছ” (১৩) শিক্ষিত নেতা চাই” (১৪) বাফর কষ্ট” (১৫) জোসনা থাকি সাবধান” (১৬) সক বড় না সংসার বড়” (১৭) তারা নু আইরা” (১৮) সুইপার” (১৯) জনসচেতন মূলক নাটক ডেঙ্গু (২০) প্রবাসীরা সাবধান ও ইত্যাদি। যে কথা বলতে হয়, শ্রদ্ধা, ভালবাসা, স্নেহ, নিয়তি, নি:শ্বাস সব মানবিক অনুভূতি গুলোকেই বাঙ্গালী নাট্যচর্চার বেঁচে থাকার অবলম্বন, আর সে অনুভূতি গুলোর প্রধান রবী ঠাকুর, নাটক ও অভিনয় গুলো বাঙ্গালীর সেই প্রিয়তম চরিত্রটি সদা উপস্থিত। এ চরিত্র গুলোর শুভ্রতা নিয়েই নাটক, এ নাটক ও অভিনয় গুলো যেমন মানুষের প্রেরণা যোগাবে, আনন্দ বিনোদনের সাথে কিছুটা হলে বুঝার মনমানসিকতা নিয়ে দেখলে উপকৃত হবে বলে আশাবাদী।


পরবর্তী খবর পড়ুন : বাবাহীন ২৬ বছর

আরও পড়ুন

সিলেট মহানগর ৯নং ওয়ার্ড বিএনপির কর্মীসভা সম্পন্ন

         সিলেট মহানগর বিএনপির আওতাধীন ৯নং...

বাংলাদেশ ব্যাংকে (আইএসএস) রিপোর্টিং’ শীর্ষক কর্মশালা শুরু

         সিলেট এক্সপ্রেস ডেস্ক:  বাংলাদেশ ব্যাংক...

জালালাবাদ এক্সপ্রেস ও সুরমা মেইল যাত্রা শুরু করলো সিলেট রুটে

         সিলেট এক্সপ্রেস ডেস্ক সিলেটসহ দ্বিতীয়...

সিলেটে আবারও দু দফা ভূমিকম্প অনুভূত

         সিলেটে এক মিনিটের ব্যবধানে দু...